এইমাত্র পাওয়া সংবাদ প্রতিবেদন :মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার নভোচারী বুচ উইলমোর ও সুনিতা উইলিয়ামকে ছাড়াই পৃথিবীতে ফিরে এসেছে বোয়িংয়ের তৈরি স্টারলাইনার মহাকাশযান। শনিবার মহাকাশযানটি নিউ মেক্সিকোর হোয়াইট স্যান্ডস স্পেস হারবার মরুভূমিতে অবতরণ করেছে। আর দুই নভোচারী এখনো আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনেই আটকা রয়েছেন।
মহাকাশযানটি ফিরে আসার মধ্য দিয়ে তিন মাসের পরীক্ষামূলক মিশনের সমাপ্তি ঘটল।
তবে মিশনটি প্রযুক্তিগত সমস্যার কারণে বাধাগ্রস্ত হয়েছে। নাসার পক্ষ থেকে মহাকাশযান অবতরণের ভিডিও সরাসরি সম্প্রচার করা হয়। তাতে দেখা যায়, স্টারলাইনার মহাকাশযান পৃথিবীতে সফলভাবে ফিরে এসেছে। পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে ঘণ্টায় ২৭ হাজার ৪০০ কিলোমিটার বেগে পৃথিবীর দিকে আসতে থাকে।

এ সময় বায়ুমণ্ডলে থাকাকালীন মহাকাশযানটির হিটশিল্ড চালু রাখা হয়। অবতরণের ৪৫ মিনিট আগে একে একে খোলা হয় তিনটি প্যারাশুট।

প্রসঙ্গত, চলতি বছরের ৫ জুন বোয়িং স্টারলাইনার ক্যাপসুলে চড়ে মহাকাশে পাড়ি জমান সুনিতা ও বুচ। তাদের গন্তব্য ছিল আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন (আইএসএস)।
আট দিনের মধ্যে কাজ সেরে পৃথিবীতে ফেরার পরিকল্পনা ছিল তাদের। তবে স্টারলাইনারে ত্রুটি ধরা পড়ায় পরিকল্পনা বদলে যায়। মহাকাশযানের থ্রাস্টার যন্ত্র বিকল হয়ে হিলিয়াম গ্যাস লিক করছিল। এই পরিস্থিতিতে পৃথিবীতে না ফেরার সিদ্ধান্ত নেন মহাকাশচারীরা।
জানা গেছে, সামনের বছরের ফেব্রুয়ারিতে ধনকুবের ইলন মাস্কের স্পেসএক্সের একটি মহাকাশযানে করে পৃথিবীতে ফিরিয়ে নিয়ে আসা হবে তাদের।

স্টারলাইনার মহাকাশযান পাঁচ মিটার লম্বা ও ৪.৬ মিটার চওড়া। অ্যাপোলো মিশনে ব্যবহৃত ক্যাপসুলের তুলনায় বেশ চওড়া স্টারলাইনারে সর্বোচ্চ সাতজন বসতে পারেন। বোয়িং স্টারলাইনার ঘোষণা দিয়েছে, তারা ক্যাপসুলটি পুনরুদ্ধার করবে। মহাকাশে ব্যর্থতার ব্যাপারে তদন্ত করারও ঘোষণা এসেছে।
সূত্র : বিবিসি