একই সময়ে কুয়েত এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিভিন্ন স্থান থেকেও বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে বলে খবর পাওয়া গেছে। এতে পুরো উপসাগরীয় অঞ্চলে নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
এদিকে কাতারভিত্তিক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা জানিয়েছে, কাতারে মোতায়েন করা প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ইরান থেকে ছোড়া একটি ক্ষেপণাস্ত্র সফলভাবে প্রতিহত করেছে। এতে সম্ভাব্য বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এর আগে ইরানের এক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা সতর্ক করে বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত সব মার্কিন ও ইসরায়েলি স্থাপনাই এখন ইরানের বৈধ লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। তিনি আরও জানান, চলমান পরিস্থিতিতে ‘আর কোনো রেড লাইন নেই’, যা সংঘাত আরও বিস্তৃত হওয়ার আশঙ্কা বাড়িয়েছে।
এদিকে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) এক বিবৃতিতে নিশ্চিত করেছে, ইসরায়েলের বিরুদ্ধে পাল্টা সামরিক অভিযান শুরু হয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়, ‘ইরানের বিরুদ্ধে চালানো আগ্রাসনের জবাবে অধিকৃত অঞ্চলের দিকে ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার প্রথম ধাপ শুরু করা হয়েছে।’
বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক এই হামলা ও পাল্টা হামলার ধারাবাহিকতা মধ্যপ্রাচ্যকে একটি বৃহত্তর সামরিক সংঘাতের দিকে ঠেলে দিতে পারে। পরিস্থিতি ঘিরে আন্তর্জাতিক মহল গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছে।
0 মন্তব্যসমূহ