ব্রাসেলস থেকে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এএফপি জানায়, নিরাপত্তা ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ায় ইইউ তাদের কূটনৈতিক ও প্রশাসনিক কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জরুরি পদক্ষেপ নিচ্ছে।
ইসরাইলি সামরিক সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক হামলার জবাবে ইরান পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে, যা পুরো অঞ্চলের নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও অস্থিতিশীল করে তুলেছে।
এ প্রসঙ্গে ইইউর শীর্ষ কূটনীতিক কায়া কাল্লাস সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, “মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে চলমান ঘটনাবলি অত্যন্ত বিপজ্জনক এবং উদ্বেগজনক। ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও পারমাণবিক কর্মসূচি, পাশাপাশি সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর প্রতি তাদের সমর্থন, বৈশ্বিক নিরাপত্তার জন্য গুরুতর হুমকি সৃষ্টি করছে।”
তিনি আরও জানান, বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা এবং আন্তর্জাতিক মানবিক আইন মেনে চলা এখন সবচেয়ে বড় অগ্রাধিকার। ইতোমধ্যে তিনি ইসরাইলের পররাষ্ট্রমন্ত্রীসহ অঞ্চলের অন্যান্য দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেছেন।
ইইউ নাগরিকদের নিরাপদ প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত করতে সংস্থাটির কনস্যুলার নেটওয়ার্ক পূর্ণ সক্ষমতায় কাজ করছে বলে জানিয়েছেন কাল্লাস। একই সঙ্গে অপ্রয়োজনীয় কর্মীদের দ্রুত অঞ্চল থেকে সরিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়াও চলমান রয়েছে।
.png)
0 মন্তব্যসমূহ