Header Ads Widget

Responsive Advertisement

মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ইরানের পাল্টা হা`ম`লা, উ`ত্তে`জ`না চরমে



এইমাত্র পাওয়া সংবাদ প্রতিবেদন :ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ সামরিক অভিযানের জবাবে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে অবস্থিত গুরুত্বপূর্ণ মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলোতে হামলা চালিয়েছে ইরান। দেশটির রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইরনা (IRNA) জানিয়েছে, উপসাগরীয় অঞ্চলের একাধিক কৌশলগত লক্ষ্যবস্তুতে এই হামলা পরিচালিত হয়েছে।

ইরানের হামলার লক্ষ্যবস্তু হিসেবে যেসব ঘাঁটির নাম উল্লেখ করা হয়েছে, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে কাতারের আল উদেইদ বিমান ঘাঁটি, কুয়েতের আল সালেম বিমান ঘাঁটি, সংযুক্ত আরব আমিরাতের আল দাফরা বিমান ঘাঁটি এবং বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন নৌবাহিনীর পঞ্চম নৌঘাঁটি। এসব ঘাঁটি মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতির গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে বিবেচিত।

এর আগে শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ভোরে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলায় ইরানের রাজধানী তেহরানসহ বিভিন্ন স্থানে ৩০টিরও বেশি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানা হয়। এতে ইরানি প্রেসিডেন্টের বাসভবনসহ সামরিক ও প্রশাসনিক অবকাঠামোর বিভিন্ন অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানা গেছে। এই হামলার পরপরই ইরান ইসরাইল এবং মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলোর বিরুদ্ধে পাল্টা সামরিক অভিযান শুরু করে।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, সাম্প্রতিক হামলায় দেশের ‘ভৌগোলিক অখণ্ডতা ও জাতীয় সার্বভৌমত্ব’ সরাসরি লঙ্ঘিত হয়েছে। এতে সামরিক স্থাপনার পাশাপাশি বেসামরিক এলাকাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের পদক্ষেপকে আন্তর্জাতিক আইন এবং জাতিসংঘ সনদের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। ইরান জানিয়েছে, জাতিসংঘ সনদের ৫১ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করে তারা প্রয়োজনীয় ও কঠোর জবাব দেওয়ার অধিকার রাখে।

ইরান আরও দাবি করেছে, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে তারা এতদিন সংযম দেখিয়েছে। তবে দেশের নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সশস্ত্র বাহিনী এখন পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে এবং হামলাকারীদের এই পদক্ষেপের পরিণতি ভোগ করতে হবে।

এদিকে এক উচ্চপদস্থ ইরানি কর্মকর্তা আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা-কে জানিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত সব মার্কিন ও ইসরাইলি স্বার্থ এখন বৈধ লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে ‘আর কোনো সীমারেখা নেই’ এবং সংঘাত আরও বিস্তৃত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ